Friday, April 22, 2011
The 10th Chinese Competition- Chinese Proficiency Competition for Foreign Collage Students & the 4th Chinese Speech Competition in Bangladesh- 2011
বাংলাদেশে চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির জনপ্রিয়তা বাড়ছে- ওয়াং ইয়ূ: দূতাবাসের প্রতিযোগিতায় কনফুসিয়াস ক্লাসরুমের আল-মামুন সেরা চারে
বাংলাদেশে চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির জনপ্রিয়তা বাড়ছে- ওয়াং ইয়ূ
দূতাবাসের প্রতিযোগিতায় কনফুসিয়াস ক্লাসরুমের আল-মামুন সেরা চারে
ঢাকা; রোববার, ২০১১, এপ্রিল, ২২
বৈশাখের খরতাপদাহকে ম্লান করে দিয়ে বেশ আনন্দঘন পরিবেশে ২২ এপ্রিল শুক্রবার ঢাকার চীনা দূতাবাসে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ১০ম আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদের চীনা ভাষা প্রতিযোগিতা। একই সাথে আয়োজিত হলো বাংলাদেশে ৪র্থ চীনা ভাষা সেতু বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। এই যমজ প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা শিক্ষা ইন্সটিট্যুট, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইন্সটিট্যুট, ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইন্সটিট্যুট এবং সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাসরুম-এর মোট ১৯ জন চীনা ভাষা শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চীনা দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ওয়াং ইয়ূ। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আজ আমি এই অনুষ্ঠানে এসে বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীদের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চার উপর দক্ষতা দেখে খুবই মুগ্ধ হয়েছি। এ থেকে বুঝা যায় বাংলাদেশে চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি দিনে দিনে আরো জনপ্রিয় হচ্ছে।” তিনি আরো বলেন, “চীনা ভাষা হচ্ছে দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের সেতু।”
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ওয়াং ইয়ূ বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। তিনি বিজয়ীদের অভিনন্দন এবং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারী অন্যান্য সকলকে শুভেচ্ছা জানান।
প্রতিযোগিতার শুরুতে চীনা দূতাবাসের সংস্কৃতি বিষয়ক কাউন্সিলর ছিয়েন খাইফু স্বাগত বক্তব্য দেন।
চীনা ভাষা প্রতিযোগিতায় স্ব-নির্বাচিত বক্তৃতা, প্রশ্নোত্তর ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এই তিনটি পর্ব অন্তর্ভূক্ত ছিল। চীনা হস্তলিপি, পেপার-কাটিং, আবৃত্তি, গান, নাচ, থাইজি ও উশু ইত্যাদি চমকপ্রদ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে।
প্রতিযোগিতায় বিচারকদের মধ্যে ছিলেন, চীনা দূতাবাসের সংস্কৃতি বিষয়ক কাউন্সিলর ছিয়েন খাইফু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা শিক্ষা ইন্সটিট্যুটের শিক্ষক লিও চিনতোং, সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাসরুম-এর চীনা পরিচালক ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইন্সটিট্যুটের পরিচালক চৌ মিংতোং এবং ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইন্সটিট্যুটের চীনা ভাষা শিক্ষক নিয়ে ছি লোং।
প্রতিযোগিতায় মোট ৫ জন সেরা এবং একজন বিশেষ পুরস্কার লাভ করেন। তাঁরা হলেন, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় কনফুসিয়াস ইন্সটিট্যুটের আনিকা আতিক চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক ভাষা শিক্ষা ইন্সটিট্যুটের মো:মমিনুর রহমান, শর্মিষ্ঠা ঘোষ, সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাসরুম-এর আব্দুল্লাহ আল-মামুন, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় কনফুসিয়াস ইন্সটিট্যুটের আইরিন আকতার চৌধুরী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক ভাষা শিক্ষা ইন্সটিট্যুটের জামিয়া মাহফুজ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন, সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাসরুম-এর শিক্ষক ও চীন আন্তর্জাতিক বেতার বাংলা বিভাগের সাবেক বিদেশী ভাষা বিশেষজ্ঞ মহিউদ্দিন তাহের।
অনুষ্ঠানের বিস্তারিত ছবি দেখতে লগইন করুন--- http://cri-sarc.blogspot.com/2011/04/10th-chinese-competition-chinese.html
দিদারুল ইকবাল
মনিটর
চীন আন্তর্জাতিক বেতার
ঢাকা, বাংলাদেশ।Monday, April 18, 2011
সিআরআই কনফুসিয়াস ক্লাসরুমের ৬ষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষাক্রম শুরু
ঢাকা; রোববার, ১৭ এপ্রিল, ২০১১
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় চীন আন্তর্জাতিক বেতার - শান্ত মারিয়াম ফাউন্ডেশন (সিআরআই-এসএমএফ) কনফুসিয়াস ক্লাসরুমের ৬ষ্ঠ ব্যাচের চীনা ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম এক অনাড়ম্বর পরিবেশে শুরু হয়েছে রোববার।
পনেরো জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে শুরু হওয়া এই নতুন ব্যাচের ক্লাসের শুরুতে ক্লাসরুমের চীনা পরিচালক ও চীন আন্তর্জাতিক বেতার বাংলা বিভাগের প্রতিনিধি ইয়াং ওয়েই মিং স্বর্ণা চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিষয়ে প্রাথমিক ধারনা দেন।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে দু’জন ছাত্রী এবং চীন আন্তর্জাতিক বেতারের মনিটর ও সিআরআই- সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাবের পরিচালক দিদারুল ইকবালও রয়েছেন।
ইয়াং ওয়েই মিং স্বর্ণা প্রথমে প্রত্যেকের কাছে চীনা ভাষা শেখার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চান। এরপর বাংলাদেশী শিক্ষক ও চীন আন্তর্জাতিক বেতার বাংলা বিভাগের সাবেক বিদেশী ভাষা বিশেষজ্ঞ মহিউদ্দিন তাহের আনন্দঘন পরিবেশে চীনা ভাষার পাঠদান শুরু করেন।
ক্লাস শেষে কয়েকজন শিক্ষার্থী চীনা ভাষার প্রথম ক্লাসে তাদের উচ্ছ্বসিত অনুভূতি প্রকাশ করেন।
২০০৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি চীন আন্তর্জাতিক বেতার আর ঢাকার শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন ক্লাসরুমটি চালু করার জন্য আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর করে। একই বছর ২৯ অক্টোবর ক্লাসরুমের শিক্ষাক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ১২০ জন বাংলাদেশি এতে ভর্তি হয়। এছাড়াও পঞ্চাধিক চীনা নাগরিক এই প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক বাংলা শেখেন।
গত বছর (২০১০) সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাসরুমের একজন ছাত্র চীন সরকারের বৃত্তি নিয়ে চীনের কোয়াং চৌ শহরে গিয়ে চুংশান বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ভাষা অধ্যয়ন করছেন। এ বছর ২২ এপ্রিল ঢাকার চীনা দূতাবাসে ক্লাসরুমের পাঁচজন ছাত্র-ছাত্রী চীনাবৃত্তির প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।
চীনা ভাষা শিখতে আগ্রহী শ্রোতাবন্ধুসহ অন্যান্যরা (০২) ৮৯৫০৪৭১ বা ৭৯১২৯৬৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। ক্লাসরুমের মূল শ্লোগান হচ্ছে “মাতৃ ভাষায় চীনা ভাষা শিখুন”তাছলিমা আক্তার লিমা
সভাপতি
ওয়ার্ল্ড রেডিও ডিএক্স-লিসেনার্স ক্লাব
মিরপুর, ঢাকা-১২১৬, বাংলাদেশ।
