Sunday, February 27, 2011

"কবিগুরুর রচনাবলী চীনা ভাষায় অনুবাদ হচ্ছে" চীনে রবীন্দ্রসাহিত্য- বিষয়ে বাংলা একাডেমী কর্তৃক আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা



‘চীনে রবীন্দ্রসাহিত্য’ বিষয়ে বাংলা একাডেমী কর্তৃক আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা

কবিগুরুর রচনাবলী চীনা ভাষায় অনুবাদ হচ্ছে



বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনাসমগ্র চীনা ভাষায় অনুবাদের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার বাংলা একাডেমী মঞ্চে চীনে রবীন্দ্রসাহিত্য বিষয়ক এক সেমিনারে বক্তারা এ কথা জানিয়েছেন।

সকাল ১১টায় একাডেমীর মূল মঞ্চে প্রফেসর আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চীন আন্তর্জাতিক বেতারের প্রতিনিধি ও ঢাকায় সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের চীনা পরিচালক ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা। চীন থেকে আসা পেইচিং বিদেশি ভাষা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক চীনের রবীন্দ্রসমগ্র অনুবাদক কমিটির প্রধান প্রফেসর তোং ইয়ৌছেন ও পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্য ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের এসোসিয়েট প্রফেসর ওয়েই লিমিং ছাড়াও চীনা দূতাবাসের রাজনৈতিক কাউন্সিলর ওয়াং ইয়ূ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটের সাবেক পরিচালক ড.বেগম জাহানারা এবং ফিরোজ মাহমুদ প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন।


ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা তার প্রবন্ধে বলেন, “বিশ্বকবির অনন্য লেখার ইংরেজী অনুবাদের হাত ধরেই বাংলা সাহিত্যের সঙ্গে চীনের পাঠকদের আনুষ্ঠানিক পরিচয় ঘটেছে বিশ শতকের গোড়ার দিকে। রবীন্দ্রনাথ ১৯২৪ আর ১৯২৯ সালে চীন সফর করেছিলেন। তার লেখা আর ভাষণ চীনা পাঠকদের মাঝে তুমুল আলোড়ন তোলে। আর সরাসরি বাংলা থেকে রবিন্দ্রসাহিত্যের চীনা ভাষায় রূপান্তর শুরু হয় গত শতকের সত্তুরের দশকে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের বাংলাভাষী চৈনিকদের অনুবাদকর্মের মধ্যে দিয়ে”।

তিনি আরো বলেন, “চীনের প্রধান রবীন্দ্র অনুবাদকদের মধ্যে কবিগুরুর বন্ধু প্রয়াত কবি শ্যু জিমো ও লিন হুয়েই ইন, প্রয়াত প্রফেসর লি ইউয়ানশান ও তার স্ত্রী প্রফেসর লিও আই হাও, প্রফেসর পাই খাই ইউয়ান, প্রফেসর শি চিং উ, প্রফেসর তোং ইয়ৌ ছেন, মাদাম চুং শাওলি, মাদাম ফোং সিও ছিয়েন প্রমূখ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মূলত: তাদের অনুবাদকর্মে রবীন্দ্রনাথের অসামান্য সাহিত্যকীর্তির সঙ্গে চীনা পাঠকদের পরিচয় ঘটে এবং চীনে দ্রুত সমাদৃত হয়”।


তোং ইয়ৌছেন বলেন, “মোট ২৪ খন্ডে রবীন্দ্রনাথের কবিতা, গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, স্মৃতিকথা, চিঠিপত্র, দিনলিপি ইত্যাদি নিয়ে ২০০’র বেশি বই প্রকাশের দায়িত্বে নিয়োজিত অনুবাদক কমিটিতে ১৭জন অনুবাদক ও রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন। আশা করা যায়, নির্ধারিত সময়ের আগেই সমগ্র রবীন্দ্রনাথ চীনা ভাষার পাঠকদের কাছে পৌছেঁ যাবে”

শান্তিনিকেতন থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার ও সাহিত্যে ডক্টরেট ডিগ্রী পাওয়া প্রফেসর তোং বলেন, “এটি আমার জন্যে খুব বড় একটি চ্যালেঞ্জ। অন্য অনুবাদকরা নানা কাজে ব্যস্ত থাকলেও রবীন্দ্রনাথকে ভালবেসে এই বড় কাজে আত্ননিয়োগ করেছেন। সমগ্র রবীন্দ্রনাথকে চীনা ভাষায় চীনাদের উপহার দিতে পারার চেয়ে আনন্দ আর কোন কিছুতেই হতে পারে না”।

প্রফেসর তোং আরো বলেন, “রবীন্দ্রসাহিত্য চীনা পাঠকের মনে প্রশান্তি এবং আত্নিক প্রশস্ততা এনে দেয়”।


চীনা দূতাবাসের রাজনৈতিক কাউন্সিলর ওয়াং ইয়ূ বলেন, “চীন সরকার রবীন্দ্রনাথকে চীন ও চীনা জনগন এবং বাংলাদেশ ও ভারতের জনগনের মধ্যেকার বর্ণময় সেতুবন্ধ মনে করে এবং এই সম্পর্ককে আরো সামনে এগিয়ে নেবার জন্যে কাজ করে যাবে”।



প্রফেসর ওয়েই লিমিং বলেন, “পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বছর বাংলা সাহিত্য নিয়ে গবেষণা শুরু হবে। বাংলাভাষী চীনা গবেষকদের নিয়ে একটি দল গঠন করা হবে, যাতে বাংলা সাহিত্যের গবেষণা আরো উন্নয়ন করা যায়”।

সেমিনারে বাংলা একাডেমীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার দুইশতাধিক দর্শক উপস্থিত ছিলেন। সান্তা মারিয়াম ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আবু জুবায়েরসহ চীন আন্তর্জাতিক বেতারের সাবেক বিদেশি ভাষা বিশেষজ্ঞ ও সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের কনসালটেন্ট এবং শিক্ষক মহিউদ্দিন তাহের, বাংলাদেশ প্রতিনিধি মাহমুদ হাশিম, কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের শিক্ষক চাউ চিং ইয়ে এবং চীন আন্তর্জাতিক বেতারের শ্রোতাবন্ধুরাও সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ-চায়না রেডিও লিসেনার্স ক্লাবের চেয়ারম্যান সৈয়দ রেজাউল করিম বেলাল, মহাসচিব জিল্লুর রহমান জিলু, সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাবের পরিচালক দিদারুল ইকবাল, ক্লাবের সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন, নিয়াজ আহমেদ হাসিব, সারোয়ার-এ-আলম, নাটোরের শ্রোতাবন্ধু ওমর ফারুক, ঢাকা নবাবগঞ্জের শ্রোতা এ.কে.এম নাসির উদ্দিন, ফরিদপুরের শ্রোতা আফজাল আলি খান, ময়মনসিংহের শ্রোতা লুৎফর রহমান প্রমূখ।

উল্লেখ্য এবার নতুন আঙ্গিকে এবং আন্তর্জাতিক আবহের মধ্য দিয়ে অমর একুশে গ্রন্থমেলা শুরু হয়েছে। এবারের মূল ভাবনা হচ্ছে, ‘রবীন্দ্রনাথ’। রবীন্দ্রনাথের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথের বিষয়ে প্রতিদিন আলোচনা হচ্ছে মেলামঞ্চে।

আরো বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য যে গত বছরও বাংলা একাডেমী ‘বাংলা সাহিত্যের অনুবাদ: চীনা ভাষায়- শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে এবং তখনও সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চীন আন্তর্জাতিক বেতারের প্রতিনিধি ও ঢাকায় সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের চীনা পরিচালক ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা।

Saturday, February 26, 2011

আজ বাংলা একাডেমীতে “চীনে রবীন্দ্রসাহিত্য” বিষয়ে সেমিনার

আজ বাংলা একাডেমীতে “চীনে রবীন্দ্রসাহিত্য” বিষয়ে সেমিনার

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১১ এর প্রাত্যহিক সেমিনার/আলোচনায় থাকছে ‘রবীন্দ্রনাথ’। আজ ২৬ ফেব্রুয়ারি শনিবারের সূচীতে রয়েছে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান “চীনে রবীন্দ্রসাহিত্য”।

সকাল ১১টায় বাংলা একাডেমীর মূল মঞ্চে প্রফেসর আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন চীন আন্তর্জাতিক বেতারের প্রতিনিধি ও ঢাকায় সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের চীনা পরিচালক ইয়াং ওয়েই মিং স্বর্ণা। আলোচনা করতে ইতোমধ্যে ঢাকায় পৌছেঁছেন পেইচিং বিদেশী ভাষা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক চীনের রবীন্দ্রসমগ্র অনুবাদক কমিটির প্রধান প্রফেসর তোং ইয়ৌছেন ও পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্য ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ওয়েই লিমিং। এছাড়াও চীনা দূতাবাসের রাজনৈতিক কাউন্সিলর ওয়াং ইয়ূ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটের সাবেক পরিচালক ড.বেগম জাহানারা এবং ফিরোজ মাহমুদ প্রবন্ধের উপর আলোচনা করবেন।

উল্লেখ্য, আলোচকদের সবাই বাংলাদেশী বা বাংলাভাষী চৈনিক।



দিদারুল ইকবাল

পরিচালক

সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব, বাংলাদেশ।



Thursday, February 24, 2011

বাংলা একাডেমী মঞ্চে চীনে রবীন্দ্রসাহিত্য বিষয়ে বিশেষ সেমিনার ২৬ ফেব্রুয়ারি

বাংলা একাডেমী মঞ্চে চীনে রবীন্দ্রসাহিত্য বিষয়ে বিশেষ সেমিনার ২৬ ফেব্রুয়ারি

এবার নতুন আঙ্গিকে এবং আন্তর্জাতিক আবহের মধ্য দিয়ে অমর একুশে গ্রন্থমেলা শুরু হল। এবারের মূল ভাবনা হচ্ছে, ‘রবীন্দ্রনাথ’। রবীন্দ্রনাথের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথের বিষয়ে প্রতিদিন আলোচনা হচ্ছে মেলামঞ্চে। এবার মেলা মঞ্চে চীনে রবীন্দ্রসাহিত্য বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠান করা হবে। প্রফেসর হুমায়ুন আব্দুল হাই এর সভাপতিত্বে ২৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠেয় এই সেমিনারে আলোচক হিসেবে রবীন্দ্র অনুবাদক বিদেশি বিশেষজ্ঞ চীনের অধ্যাপক তুং ইয়োছেন যোগ দেবেন এবং সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করবেন চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই)-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের পরিচালক ইয়াং ওয়েই মিং স্বর্ণা।

উল্লেখ্য গত বছর ২৭ ফেব্রুয়ারি মেলা মঞ্চে 'বাংলা সাহিত্যের অনুবাদ: চীনা ভাষায়' শীর্ষক সেমিনারেও মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই)-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের পরিচালক ইয়াং ওয়েই মিং স্বর্ণা।

চীন আন্তর্জাতিক বেতারের শ্রোতাবন্ধুদের এই সেমিনারে অংশগ্রহনের জন্য বিশেষ আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। যারা সেমিনারে উপস্থিত থাকতে চান তারা যোগাযোগ করুন ০১৭১১০৫৪৯৮৫ এবং ০১৮১৪২৭৮৩৪৩ এই নম্বরে।

(২৩/০২/২০১১)



দিদারুল ইকবাল

পরিচালক

সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব, বাংলাদেশ।

Tuesday, February 22, 2011

সিআরআই এর পক্ষে আন্তর্জাতিক মার্তভাষা দিবস পালন


সিআরআই এর পক্ষে আন্তর্জাতিক মার্তভাষা দিবস পালন

একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারের বেদিতে ফুল দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ভাষা আন্দোলনের মহান শহীদদের প্রতি সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। রোববার দিবাগত রাত ১২টা এক মিনিট থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো.জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ডেপুটি স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা এবং বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এরপর পর্যায়ক্রমে বেদিতে ফুল দিয়ে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন, ছাত্র, যুব, শ্রমিক ও কৃষক সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সর্বস্তরের মানুষ। চীন আন্তর্জাতিক বেতারের পক্ষে সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাবের পরিচালক দিদারুল ইকবাল, শাখা সমন্বয়কারী তাছলিমা আক্তার লিমা এবং ক্লাবের অন্যন্য সদস্য শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঘিরে পুরো এলাকা ছিল লোকে লোকারণ্য। ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সর্বস্তরের মানুষ ছুটে আসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। রাত ১২টা এক মিনিট থেকে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারসহ এর আশপাশ মুখরিত ছিলো অমর একুশের গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’। মাইকে প্রচারিত এই গানের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন শহীদ মিনারে আসা হাজারো মানুষ। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যেতে প্রতিটি প্রবেশপথ জুড়েই ছিল মিছিলের সারি। ভোর ছয়টার পর থেকে প্রায় ১২টা পর্যন্ত ভিড় ছিল সবচেয়ে বেশি। এ সময়ে একের পর এক আসতে থাকে মিছিল। শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় ফুলে ফুলে পরিপূর্ণ হয়ে উঠে শহীদ মিনারের বেদি। শহীদ মিনারে আসা মানুষের পোশাকেও ছিল একুশের চেতনার ছাপ। পোশাকে সাদা আর কালো রঙের ব্যবহারই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে। আবার কারও পোশাকে লাল-সবুজের বাংলাদেশকে ধারণ করতে দেখা গেছে। বেশির ভাগ শিশুর গালে, কপালে আঁকা ছিল শহীদ মিনার কিংবা জাতীয় পতাকার ছবি ও বাংলা বর্ণমালা আর আলপনা।

বাংলা একাডেমী, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তথা বইমেলা জুড়ে এমন কি চীন আন্তর্জাকিত বেতারের মিডিয়া স্টলের কর্মকর্তা, প্রতিনিধিদের মধ্যেও নানা রঙে প্রকাশ পেয়েছে একুশের চেতনা। (২১/০২/২০১১)


দিদারুল ইকবাল

পরিচালক

সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব, বাংলাদেশ।














একুশে গ্রন্থমেলায় বর্ণিল সাজে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের মিডিয়া স্টল




















Thursday, February 17, 2011

সুন্দরবনে চীনা ভাষার প্রচারনায় সিআরআই- সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব



























































CRI's Excellent Audiences' Club Award 2013

CRI's Excellent Audiences' Club Award 2013

China's Travel Island Hainan Contest Award