Thursday, May 22, 2014

Listeners Club Registration List of Bangladesh Beter, Dhaka

"বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা:
শ্রোতা ক্লাব নিবন্ধন"
দীর্ঘ অপেক্ষার পর খুব শীঘ্র বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা কেন্দ্র থেকে ৪০টি শ্রোতা ক্লাবকে সার্টিফিকেটসহ রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করা হবে। ইতিমধ্যে এবিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে। বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা কেন্দ্রের আওতায় রয়েছে ১৭টি জেলা। এই ১৭টি জেলা থেকে নারায়নগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ এবং শরীয়তপুর ব্যতিত অন্য ১৪টি জেলা থেকে সর্বমোট ৫৪টি শ্রোতা ক্লাবের আবেদনপত্র জমা পড়েছে যার মধ্যে ১৪টি ছিল প্রশ্নবিদ্ধ! যেমন- কোন কোন শ্রোতা তার একি ক্লাবের সদস্যদের নামে ভিন্ন ভিন্ন ক্লাবের নাম দিয়ে আবার কেউ একি ব্যক্তি একাধিক ক্লাবের নাম দিয়ে কেউ ৫টি, কেউ ৩টি, কেউ ২টি এভাবে ভূয়া আবেদন করেছেন। যা ছিল শ্রোতা সমাজের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক! গত ০৭ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে প্রাথমিক বাছায়ের সময় ঐ ১৪টি ভূয়া ক্লাবকে বাতিল করে দেয় বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা কর্তৃপক্ষ। এছাড়া যেসব শ্রোতা এ ধরনের ভূয়া আবেদন করেছেন তাদেরকে বেতার কর্তৃপক্ষ নজরে রেখেছেন। বর্তমানে প্রাথমিক অবস্থায় ৪০টি ক্লাব-কে রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করা হচ্ছে। নিচে তালিকাগুলি জেপিইজি করে দেয়া হয়েছে।
অনুগ্রহ করে এই তালিকাটি কোন ব্যক্তি বা বেতার কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত কিংবা তালিকায় যেসব ক্লাবের নাম রয়েছে তারা কেউ মূল পোস্ট প্রদানকারীর বিনা অনুমতিতে কপি বা মূল পোস্টের বাহিরে অন্য কোথাও নিজ নামে (ফেইসবুক, টুইটার, অন্যান্য সামাজিক ব্লগ) টাইপ করে, শেয়ার বা পোস্ট করবেন না। প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন- ০১৭১১০৫৪৯৮৫, ০১৯৮৫৬০১০৮৫ এই নম্বরে।

শ্রোতাক্লাব রেজিষ্ট্রেশন প্রদান পদ্ধতি:
সকল রেজিষ্ট্রেশন নম্বর হবে আট সংখ্যার; যার মধ্যে দুইটি ডট থাকবে। যেমন: ০০০.০০.০০০।
প্রথম তিনটি সংখ্যা হবে কেন্দ্র কোড;
পরবর্তি দুইটি সংখ্যা হবে জেলা কোড;
সর্বশেষ তিনটি সংখ্যা হবে শ্রোতাক্লাবের ক্রমিক নম্বর বা কোড।
উদাহরণ: বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা কেন্দ্রের ঢাকা জেলার “সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সার্ক)” এর রেজিষ্ট্রেশন নম্বর হবে নিম্নরূপ: ১০১.০১.০০ (কেন্দ্র কোড.জেলা কোড.শ্রোতা ক্লাবের রেজিষ্ট্রেশন কোড)

নিম্নে বাংলাদেশ বেতারের সকল কেন্দ্রের কোড দেওয়া হলো-
(১) বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা- কেন্দ্রের কোড: ১০১
(২) বাংলাদেশ বেতার, চট্টগ্রাম- কেন্দ্রের কোড: ১০২
(৩) বাংলাদেশ বেতার, রাজশাহী- কেন্দ্রের কোড: ১০৩
(৪) বাংলাদেশ বেতার, সিলেট- কেন্দ্রের কোড: ১০৪
(৫) বাংলাদেশ বেতার, রংপুর- কেন্দ্রের কোড: ১০৫
(৬) বাংলাদেশ বেতার, খুলনা- কেন্দ্রের কোড: ১০৬
(৭) বাংলাদেশ বেতার, বরিশাল- কেন্দ্রের কোড: ১০৭
(৮) বাংলাদেশ বেতার, ঠাকুরগাঁও- কেন্দ্রের কোড: ১০৮
(৯) বাংলাদেশ বেতার, কক্সবাজার- কেন্দ্রের কোড: ১০৯
(১০) বাংলাদেশ বেতার, রাঙ্গামাটি- কেন্দ্রের কোড: ১১০
(১১) বাংলাদেশ বেতার, বান্দরবান- কেন্দ্রের কোড: ১১১
(১২) বাংলাদেশ বেতার, কুমিল্লা- কেন্দ্রের কোড: ১১২

প্রথম পর্যায়ে বাংলাদেশ বেতার সকল কেন্দ্র থেকে সর্বমোট ৩৩৩টি শ্রোতা ক্লাবকে রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করা হচ্ছে। নিচে কেন্দ্র অনুযায়ী তার তালিকা দেয়া হলো-
(১) বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা- ৪০টি;
(২) বাংলাদেশ বেতার, চট্টগ্রাম- ১৩টি;
(৩) বাংলাদেশ বেতার, রাজশাহী- ৪০টি;
(৪) বাংলাদেশ বেতার, সিলেট- ৫৩টি;
(৫) বাংলাদেশ বেতার, রংপুর- ১১৫টি;
(৬) বাংলাদেশ বেতার, খুলনা- ২৮টি;
(৭) বাংলাদেশ বেতার, বরিশাল- ৯টি;
(৮) বাংলাদেশ বেতার, ঠাকুরগাঁও- ২টি;
(৯) বাংলাদেশ বেতার, কক্সবাজার- ১২টি;
(১০) বাংলাদেশ বেতার, রাঙ্গামাটি- ৩টি;
(১১) বাংলাদেশ বেতার, বান্দরবান- ৫টি;
(১২) বাংলাদেশ বেতার, কুমিল্লা- ১৩টি।

Monday, April 14, 2014

Bengali New Year-1421's greetings SMS from CRI-11


Shuvo Naboborsho!

Received: 07:30:09am, 14 Apr. 2014, (+8801711054985)

From: +8613*********,  
Yu Guangyue
Director
China Radio International (CRI)
Bengali Service
Beijing, China

Happy Bengali New Year 1421

“বৈশাখ মানেই বাংলা নববর্ষ। বাংলা নববর্ষের প্রথম মাস। এর মধ্যে দিয়েই শুরু হয়ে গেল আরেকটি নতুন বছর। এই মাস দিয়ে সূচিত হল আগামী একটি বছরের যাত্রা। অতীত হয়ে গেল পিছনের সব কিছু। চৈত্রের শেষ সূর্য ডোবার সাথে সাথে শেষ হয়ে গেছে আরেকটি বছর। নতুন একটি বছরের দিকে চেয়ে আমাদের আশা আকাঙ্ক্ষা আর চাওয়া পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে দিন চলা শুরু হল নতুন করে। আরেকটি সূর্যের উদয়ের মধ্যে দিয়ে নতুন একটি বছরের আগমন ঘটল। আমরা এই নতুন বছরটির শুভ প্রত্যাশা কামনা করি। এই বছরের মধ্যে প্রকৃতির সব রূপ বৈচিত্র্যই থাকবে। থাকবে ভাঙ্গা গড়ার খেলা। থাকবে আনন্দ হাসি আর সুখ-দুখের স্বপ্ন। প্রত্যেকেই নিজের মতো করে বরণ করে নেবে এই মাসকে। এই জন্যই বৈশাখের এতো কদর। তার প্রতি সবার এতো আগ্রহ। আশা-প্রত্যাশার মধ্যে দিয়ে তাকে বরণ করা হয়।
নববর্ষ আসে ঘরে ঘরে। নববর্ষ আসে হৃদয়ে হৃদয়ে। আর হৃদয় আনে ভালোবাসার বারতা। পুরানো সব কিছুকে বাদ দিয়ে নতুনের জয়ে ধ্বনির মধ্যে দিয়ে আসে বৈশাখ। কর্দমাক্ত সব ধুয়ে মুছে নতুন করে শুরু হয় পরিচ্ছন্নতার। মানুষ নতুন উদ্যোমে যেন শুরু করতে চায় তার জীবনযাপন।
ঐ দিন সেজেগুজে, বৈশাখি পোশাকে স্বাগত জানানো হয় নববর্ষকে। প্রচন্ড গরম উপেক্ষা করেই মানুষের ঢল নামে উসবের জন্য। সবাই সুন্দর একটি ভবিষ্য প্রত্যাশা করে। বৈশাখ আমাদের অনেক প্রত্যাশার। অনেক আশার বাণী শোনা যাবে তার কাছে। আমরা বৈশাখকে স্বাগত জানাই; স্বাগত জানাই নববর্ষকে। শুভ নববর্ষ ১৪২১।”
বাংলা নববর্ষ বাংলাদেশের সকল মানুষের তথা বাঙালি জাতির জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী উসবের দিন। নববর্ষ মানে নতুন করে আর একটি বছরের যাত্রা শুরু, যেন নতুন করে সুন্দরের দিকে এগিয়ে চলা। ‘‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’’ এ সঙ্গীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাঙালী জাতি নববর্ষের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে। এটা যে শুধু একটি উৎসব তা কিন্তু নয়। বাংলা সন আমাদের জাতীয় সন। রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক ক্ষেত্রে ইংরেজি সাল প্রচলিত হলেও বাংলাদেশের বৃহত্তর গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে নিত্যকর্মে বাংলা সনের বহুল প্রচলন রয়েছে। কৃষিকর্ম, সরকারি খাজনা (ভূমি রাজস্ব), মহাজনী ও ব্যবসায়িক লেনদেন সবই বাংলা তারিখে। স্বাধীনতা প্রাপ্তির পর সরকারি কাজকর্মের মাঝে ইংরেজি সালের পাশাপাশি বাংলা সন-তারিখ লেখার জন্য ১৯৮৭ সালের ১জানুয়ারি নির্দেশ জারি করে সরকার। ফলে বাংলা একাডেমীর ১৯৬৬ সালের পঞ্জিকা অনুযায়ী সব সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, পরিদফতর ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোয় এ নির্দেশ পালিত হয়ে থাকে।
বৈশাখী মেলা বাঙালী জাতির সার্বজনীন উৎসব। দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০০ বৈশাখী মেলা প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়। কোথাও কোথাও এক দিন আবার কোথাও এক সপ্তাহ এ মেলা অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার প্রধান তিনটি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা রয়েছে। যাদের প্রত্যেকেরই নতুন বছরের নতুন দিনে উৎসব আছে। ত্রিপুরাদের বৈশুখ, মারমাদের সাংগ্রাই ও চাকমাদের বিজু উৎসব। বর্তমানে এই তিনটি জাতিসত্তা একত্রে পয়লা বৈশাখে যৌথভাবে বৈশাবি উৎসব পালন করে।
বর্তমানে প্রচলিত বিভিন্ন আঞ্চলিক অনুষ্ঠানের মধ্যে চট্টগ্রামের জববারের বলীখেলা, রাজশাহীর গম্ভীরা প্রবল উৎসাহ-উদ্দীপনায় অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পয়লা বৈশাখকে কেন্দ্র করে লোকগায়কের উপস্থিতি থাকে। তারা যাত্রা, পালাগান, জারিগান, গম্ভীরা, গাজীর গান, আলকাপ গানহ বিভিন্ন ধরনের লোকসঙ্গীত, বাউল, মারফতি, মুর্শিদি, ভাটিয়ালী ইত্যাদি আঞ্চলিক গান পরিবেশন করেন। কোথাও কোথাও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, নাটক, পুতুল নাচ, লাঠি খেলা, সাপ খেলা, নাগরদোলা, হাডুডু, চড়কি খেলা, যাত্রা পালা, সার্কাস ইত্যাদি মেলার বিশেষ আকর্ষণ। এছাড়া শিশুদের জন্য থাকে বায়োস্কোপ। মূলত এসব অনুষ্ঠান এখনো কম-বেশি সারা দেশে আনন্দঘন লোকায়িত সংস্কৃতির ধারক হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
১৪ এপ্রিল ২০১৪ বাংলাদেশসহ পৃথিবী ব্যাপী বাংলা ভাষাভাষি সকলে উদযাপন করছে “১লা বৈশাখ- বাংলা নববর্ষ”। এ উপলক্ষ্যে চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই) বাংলা বিভাগের সকল শ্রোতা বন্ধুদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।  
বাংলা নববর্ষ আসে আনন্দের পসরা নিয়ে। অতীতকে ভোলাতে আর ভবিষ্যতের সম্ভাবনায় আশান্বিত হতে। বাংলাদেশ জেগে উঠুক সম্ভাবনার রাঙা আলোয়। তাই আমরা বৈশাখকে স্বাগত জানাই; স্বাগত জানাই বাংলা নববর্ষকে। শুভ নববর্ষ ১৪২১। আপনার সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন।


দিদারুল ইকবাল
বাংলাদেশ মনিটর
চীন আন্তর্জাতিক বেতার
ঢাকা, বাংলাদেশ।

CRI's Excellent Audiences' Club Award 2013

CRI's Excellent Audiences' Club Award 2013

China's Travel Island Hainan Contest Award