Sunday, February 6, 2011

ছুটির দিনে বই প্রেমিদের উপচেপড়া ভিড়

ছুটির দিনে বই প্রেমিদের উপচেপড়া ভিড়

আবু জুবায়ের: গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনে মেলা পরিপূর্ণ ছিল দর্শকে। প্রথমবারের মত বইমেলা মানুষের পদচারণায় মুখরিত ছিল। লেখক-পাঠকদের মিলনমেলায় পরিণত হয় গতকালের মেলা। মেলাতে ঘুরতে দেখা গেল অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, লেখক মোহিত কামাল প্রমূখ ব্যক্তিদের। এবারের মেলায় বিখ্যাত ব্যাক্তিদের নামে চত্বরের নামকরণ করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথ চত্বর, কাজী নজরুল চত্বর, বেগম রোকেয়া চত্বর, ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ চত্বর, বরকত চত্বর, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত চত্বর, জব্বার চত্বর, রফিক চত্বর। প্রতিটি চত্বরে চোখ পড়ার মত ভিড় দেখা যায়। এবার বাংলা একাডেমী কর্তৃপক্ষ বইমেলায় মোড়ক উন্মোচনের নতুন নিয়ম চালু করেছে। একদিন আগে তথ্যকেন্দ্রে জানাতে হবে। এতে শৃংখলা বজায় থাকবে বলে বাংলা একাডেমী কর্তৃপক্ষ মনে করে।

ছুটির দিনে বই প্রেমিদের উপচেপড়া ভিড় ছবিঃ দিদারুল ইকবাল


এদিকে জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হূমায়ুন আহমেদের চারটি গ্রন্থ এ পর্যন্ত মেলায় এসেছে। এগুলো হলো হিমুর আছে, ম্যাজিক মুনশি, ফাউন্টেইন পেনসহ আরো একটি। মেলাতে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র তারকাদের বই এসেছে বেশ কয়েকটি। তার মধ্যে আমজাদ হোসেনের মাধবী লগন। নাট্য ব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ প্রথমবারের মত উপন্যাসের বই বের করলেন। বইটির নাম পিতৃপুরুষ। রামেন্দু মজুমদারের একটি প্রবন্ধের বই বেরিয়েছে মেলাতে। এছাড়া শান্তা ইসলাম, শিরীন বকুল ও আবুল হায়াতের বই এসেছে মেলায়।

মেলাতে ঘুরতে এসেছিলেন কবি মহাদেব সাহা। তিনি বলেন, বই মেলা আমাদের সাংস্কৃতিক উৎসব, একুশের এই বইমেলার মধ্য দিয়ে আমরা জেগে উঠি, নতুন করে বাঁচার সাহস সঞ্চয় করি। এই বইমেলা এখন উৎসবে পরিণত হয়েছে। এ কাজে একমাস সবচেয়ে অমূল্য সময় কাটাই। আপ্লুত হই। উদ্বুদ্ধ হই। একুশের বইমেলা আমার প্রধান আনন্দের উৎসব। আমি মেলায় সুখবোধ করি। সবার জয় হোক।

সূত্র: দৈনিক আজকের প্রত্যাশা- ঢাকা েব্রুয়ারি ২০১১ শনিবার, ২৩ মাঘ ১৪১৭ বঙ্গাব্দ, ৩ সফর ১৪৩২ হিজরি

Saturday, February 5, 2011

সিআরআই স্টলে এফএম তরঙ্গে অনুষ্ঠান শুনে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

একুশে গ্রন্থমেলা-২০১১:

সিআরআই স্টলে এফএম তরঙ্গে অনুষ্ঠান শুনে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

একুশে গ্রন্থমেলায় সোমেন চন্দ চত্বরে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের আন্তর্জাতিক মিডিয়া স্টলটি প্রতিদিন সন্ধ্যে ৫:৩০ মিনিট থেকে ৬:৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং ৬:৩০ মিনিট থেকে ৭:৩০ মিনিট পর্যন্ত দর্শনার্থীদের মধ্যে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করে থাকে। কারণ ঐ সময় গুরুন্ডিক ডিজিটাল রেডিও’র মাধ্যমে বাংলাদেশ বেতারের ঢাকা ১৩০.২ এফএম তরঙ্গে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের ইংরেজী এবং বাংলা অনুষ্ঠান শুনানো হয়। আর এই চমৎকার ব্যবস্থাটি করেছে সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব। রেডিও অনুষ্ঠানটি হাই স্পীড সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে শুনানো হয় যাতে করে তুলনামূলক দুর থেকেও অনুষ্ঠান ভালো ভাবে শুনতে পারেন দর্শনার্থীরা। সন্ধ্যায় সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের স্টলে এসে দর্শনার্থীরা অনেক মুগ্ধ হয়েছেন এবং হচ্ছেন বিশেষ করে চীন আন্তর্জাতিক বেতার থেকে প্রচারিত প্রতিদিন চীনা ভাষা শিক্ষার আসরটি শুনতে পেরে। এতে করে দর্শনার্থীদের মধ্যে চীনা ভাষা শিক্ষার প্রতি ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং কেউ কেউ আগ্রহও প্রকাশ করেছেন। আবার কেউ কেউ মোবাইলে কিভাবে এফএম-এ সিআরআই এর অনুষ্ঠান শুনতে পারবেন সেটিও জেনে নিয়ে গেছেন।

সিআরআই স্টলে এফএম ১০৩.২ মেগাহার্জে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে














৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সিআরআই স্টলে দর্শনার্থীদের সিআরআই, চীন এবং চীনা ভাষা সম্পর্কে বিবিধ তথ্য উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করেছেন সান্তামারিয়াম ফাউন্ডেশনের আবু জুবায়ের, সিআরআই এর শ্রোতা সংগঠক দিদারুল ইকবাল, সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাবের শাখা প্রতিনিধি শহিদুল কায়সার লিমন, তাছলিমা আক্তার লিমা এবং সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের ৪জন ছাত্র।

শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় এই দিন মেলায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এই দিন সিআরআই স্টলে অনেক শ্রোতাবন্ধু ভিজিটে এসেছেন। শ্রোতাবন্ধু মাহবুব রহমান, মিজানুর রহমান, সোহেল রানা, রওশন আরা লাবনী, নাজমা বেগম, ফাহমিদা হোসেন সিমু, নাহিদুল ইসলাম সুজন, ফারজানা সুলতানা সামিয়া প্রমূখ। তারা সিআরআই এর মাধ্যমে চীনের পর্যটন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসব সম্পর্কে আরো চমৎকার অনুষ্ঠান শুনার আগ্রহ প্রকাশ করেন।


০৪/০২/২০১১

দিদারুল ইকবাল

পরিচালক

সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লা

বাড়ী- ৩৩৬, সেকশন- ৭, রোড- ২,

মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

ই-মেইল: didaruliqbal@gmail.com

ওয়েবসাইট: www.cri-sarc.blogspot.com



Friday, February 4, 2011

জমে উঠতে শুরু করেছে সিআরআই স্টল

একুশে গ্রন্থমেলা-২০১১:

জমে উঠতে শুরু করেছে সিআরআই স্টল

বন্ধুরা একুশে গ্রন্থমেলায় ধীরে ধীরে জমে উঠতে শুরু করেছে বাংলা একাডেমীর বহেরা তলায় অবস্থিত সোমেন চন্দ চত্বরে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের আন্তর্জাতিক মিডিয়া স্টল। প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ভিজিট করছেন সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের স্টল।

মেলার প্রথম দিন থেকে আসতে শুরু করেছেন চীন আন্তর্জাতিক বেতারের শ্রোতাবন্ধুরা। ইতিমধ্যে মাগুড়া, কুষ্টিয়া, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার কয়েকটি এলাকা থেকে বেশ কিছু শ্রোতা সিআরআই স্টল ভিজিট করেছেন। তারা একুশে বইমেলায় সিআরআই এর স্টল দেখে অনেক আনন্দ প্রকাশ করেছে। এখানে তারা সিআরআই, চীন এবং চীনা ভাষা সম্পর্কে নানা রকম তথ্য ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে চীন সম্পর্কে বিভিন্ন ভিডিও চিত্র দেখে ধারণা নিচ্ছেন। সিআরআই স্টল ভিজিটরদের বিবিধ তথ্য উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করছেন মিষ্টি ভাষায় বাংলা কণ্ঠী চীনা নাগরিক সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের পরিচালক ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা, আরো আছেন সিআরআই এর শ্রোতাদের অন্যতম ভালবাসার মানুষ সাবেক বিদেশী ভাষা বিশেষজ্ঞ, সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের উপদেষ্টা ও শিক্ষক মহিউদ্দিন তাহের এবং চীন আন্তর্জাতিক বেতার বাংলা বিভাগের বাংলাদেশ প্রতিনিধি মাহমুদ হাশিম। স্টল ভিজিটরদের বিভিন্ন লিফলেট, ম্যাগাজিন, বুকমার্ক, সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাবের পক্ষ থেকে 'ডিএক্সীং নিউজ' পত্রিকা বিশেষ সংখ্যা বিনা মূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে যাতে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের বিভিন্ন তথ্য রয়েছে এছাড়া এফএম তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে তৈরী ষ্টিকার ইত্যাদি সর্বরাহ করা হচ্ছে।

দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত সিআরআই এর শ্রোতাবন্ধুরা বিশেষ করে মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা, চুয়াডাঙ্গা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, বগুড়া, দিনাজপুর, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, নওগাঁ থেকে আরো অনেক শ্রোতাবন্ধু ফোন করে জানিয়েছেন তারাও খুব শীঘ্রই একুশে বইমেলায় এসে সিআরআই স্টল ভিজিট করবেন। এ থেকে বুঝা যায় সিআরআই বই মেলায় স্টলটি শ্রোতাদের জন্য একটি মিলন মেলার কেন্দ্রেরমত পরিণত হয়ে উঠবে।

তাহলে বন্ধুরা আপনারা যারা এখনো বই মেলায় সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুম এর স্টলে আসেননি তারা চলে আসুন এবং আমাদের ফোন করুন, মোবাইল: ০১৭১১০৫৪৯৮৫, ০১৮১৪২৭৮৩৪৩ এই নাম্বারে


০৩/০২/২০১১

দিদারুল ইকবাল

পরিচালক

সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব

বাড়ী- ৩৩৬, সেকশন- ৭, রোড- ২,

মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ।

ই-মেইল: didaruliqbal@gmail.com

ওয়েবসাইট: www.cri-sarc.blogspot.com

Wednesday, February 2, 2011

অমর একুশে ২০১১ গ্রন্থমেলা শুরু হচ্ছে আজ



অমর একুশে ২০১১

গ্রন্থমেলা শুরু হচ্ছে আজ


বাঙালির প্রাণের মেলা অমর একুশে গ্রন্থমেলার পর্দা উঠছে আজ। বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকেল চারটায় মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এরপর তিনি বর্ধমান হাউজে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় সাহিত্য ও লেখক জাদুঘরের দ্বারোদ্ঘাটন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন নোবেল পুরস্কারজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরের পর থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে র্যাবসহ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। স্টল তৈরির কাজও চলছিল বেশ জোরেশোরে। এবারের মেলা আয়োজনে সার্বিক ব্যয় ধরা হয়েছে আনুমানিক ৬২ লাখ টাকা।
বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান জানিয়েছেন, এবার নতুন আঙ্গিকে এবং আন্তর্জাতিক আবহের মধ্য দিয়ে অমর একুশে গ্রন্থমেলা শুরু হচ্ছে। গতকাল সকালে একাডেমীর সেমিনার কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। এ সময় একাডেমীর সচিব আলতাফ হোসেন, মেলা কমিটির সদস্যসচিব ও পরিচালক সাহিদা খাতুন, উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুর্শিদুদ্দিন আহম্মদ এবং স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স জীশান কিংশুক হক এবং স্টেপ মিডিয়ার পরিচালক মোস্তফা জাহিদ খান উপস্থিত ছিলেন।
মহাপরিচালক বলেন, এখন থেকে প্রতিবছর একটি মূল ভাবনা নিয়ে গ্রন্থমেলার আয়োজন করা হবে। এবারের মূল ভাবনা হচ্ছে, ‘রবীন্দ্রনাথ’। রবীন্দ্রনাথের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মাসজুড়েই রবীন্দ্রনাথের বিষয়ে আলোচনা হবে মেলামঞ্চে।
গ্রন্থমেলায় আন্তর্জাতিক আবহ আনতে প্রতিদিনের সেমিনারে আলোচক হিসেবে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিদেশি বিশেষজ্ঞদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য পবিত্র সরকার, শ্যামল চক্রবর্তী, চীনের অধ্যাপক তুং ইয়োছেন, ইয়াং ওয়েইমিং এবং স্পেনের অধ্যাপক খোসে পাস এবার বক্তব্য দেবেন।
এ বছর অমর একুশে গ্রন্থমেলা প্রাঙ্গণকে ভাষাশহীদ, লেখক, সাহিত্যিক, কবি ও বুদ্ধিজীবীদের নামে নয়টি চত্বরে বিন্যাস করা হয়েছে। এগুলো হলো: ভাষাশহীদ, রবীন্দ্র, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, নজরুল, সাহিত্যবিশারদ আবদুল করিম, সুফিয়া কামাল, ধীরেন্দ্রনাথ, সোমেন চন্দ ও রোকেয়া চত্বর। এ ছাড়া শিশু কর্নারে থাকবে শিশু-কিশোরবিষয়ক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের ব্যবস্থা থাকবে নজরুল মঞ্চে। গ্রন্থমেলার মিডিয়া সেন্টারে মেলাসংক্রান্ত তাৎক্ষণিক তথ্য সরবরাহের জন্য ফ্যাক্স ও ই-মেইল-সুবিধার ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া পুরো গ্রন্থমেলা প্রাঙ্গণকে ওয়াইফাই জোনে রূপান্তরিত করা হবে।
মেলার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ, র্যাব, গোয়েন্দা সংস্থাসহ একাডেমীর নিরাপত্তাকর্মীরা। মেলা প্রাঙ্গণে থাকবে একাধিক ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা। মেলায় অননুমোদিত বই কিংবা বেআইনিভাবে প্রকাশিত বই কোনো স্টলে পাওয়া গেলে টাস্কফোর্স আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
অংশগ্রহণকারী প্রকাশকদের মধ্য থেকে সেরা গ্রন্থের জন্য ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’ এবং সর্বাধিকসংখ্যক মানসম্মত বই প্রকাশের জন্য শ্রেষ্ঠ তিনটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ দেওয়া হবে।
পুরো ফেব্রুয়ারি মাস ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত, ছুটির দিন বেলা ১১টা থেকে রাত নয়টা এবং একুশে ফেব্রুয়ারি সকাল আটটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো/ তারিখ: ০১-০২-২০১১

Tuesday, February 1, 2011

একুশে গ্রন্থমেলায় আন্তর্জাতিক মিডিয়া ষ্টল হিসেবে দুটি ষ্টল বরাদ্ধ পেয়েছে চীন আন্তর্জাতিক বেতার

একুশে গ্রন্থমেলা-২০১১:

আন্তর্জাতিক মিডিয়া ষ্টল হিসেবে দুটি ষ্টল বরাদ্ধ পেয়েছে

চীন আন্তর্জাতিক বেতার

বাঙালির প্রাণের মেলা অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০১১ এর পর্দা উঠছে ১ ফেব্রুয়ারিবাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐ দিন বিকেল চারটায় মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেনএরপর তিনি বর্ধমান হাউজে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় সাহিত্য ও লেখক জাদুঘরের দ্বারোদ্ঘাটন করবেনউদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন নোবেল পুরস্কারজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন
এবার নতুন আঙ্গিকে এবং আন্তর্জাতিক আবহের মধ্য দিয়ে অমর একুশে গ্রন্থমেলা শুরু হচ্ছেএখন থেকে প্রতিবছর একটি মূল ভাবনা নিয়ে গ্রন্থমেলার আয়োজন করা হবেএবারের মূল ভাবনা হচ্ছে, ‘রবীন্দ্রনাথরবীন্দ্রনাথের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মাসজুড়েই রবীন্দ্রনাথের বিষয়ে আলোচনা হবে মেলামঞ্চে

গ্রন্থমেলায় আন্তর্জাতিক আবহ আনতে প্রতিদিনের সেমিনারে আলোচক হিসেবে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিদেশি বিশেষজ্ঞদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছেরবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য পবিত্র সরকার, শ্যামল চক্রবর্তী, চীনের অধ্যাপক তুং ইয়োছেন, ইয়াং ওয়েইমিং এবং স্পেনের অধ্যাপক খোসে পাস এবার বক্তব্য দেবেন

এ বছর অমর একুশে গ্রন্থমেলা প্রাঙ্গণকে ভাষাশহীদ, লেখক, সাহিত্যিক, কবি ও বুদ্ধিজীবীদের নামে নয়টি চত্বরে বিন্যাস করা হয়েছেএগুলো হলো: ভাষাশহীদ, রবীন্দ্র, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, নজরুল, সাহিত্যবিশারদ আবদুল করিম, সুফিয়া কামাল, ধীরেন্দ্রনাথ, সোমেন চন্দ ও রোকেয়া চত্বর

চীন আন্তর্জাতিক বেতার বাংলা বিভাগ গত বছরেরমত এবারও আন্তর্জাতিক মিডিয়া ষ্টল হিসেবে দুটি ষ্টল বরাদ্ধ পেয়েছে। একুশে গ্রন্থমেলার সাহিত্যবিশারদ সোমেন চন্দ চত্বরের ৩২৩ এবং ৩২৪ নাম্বার ষ্টল পেয়েছে চীন আন্তর্জাতিক বেতার। ষ্টলের নাম সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুম।

তাহলে বন্ধুরা আপনারা দ্রুত চলে আসুন সোমেন চন্দ চত্বরে সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুম এর ৩২৩ এবং ৩২৪ নাম্বার ষ্টলে এখানে আপনি চীন আন্তর্জাতিক বেতার এবং নিজ মাতৃভাষায় চীনা ভাষা শিক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন ষ্টলে সিআরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের পরিচালক ও সিআরআই প্রতিনিধি ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা, চীন আন্তর্জাতিক বেতার বাংলা বিভাগের সাবেক বিদেশী ভাষা বিশেষজ্ঞ এবং আরআই-এসএমএফ কনফুসিয়াস ক্লাস রুমের উপদেষ্টা ও শিক্ষক মহিউদ্দিন তাহের, চীন আন্তর্জাতিক বেতার বাংলা বিভাগের বাংলাদেশ প্রতিনিধি মাহমুদ হাশিম মেলায় ষ্টলে উপস্থিত থেকে দর্শকদের বিভিন্ন জিজ্ঞাসার জবাব দেবেন এছাড়া শ্রোতা প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাবের পরিচালক দিদারুল ইকবাল, শাখা প্রতিনিধি শহিদুল কায়সার লিমন, তাছলিমা আক্তার লিমা ষ্টলে আগত দর্শকদের চীন আন্তর্জাতিক বেতার বাংলা বিভাগের অনুষ্ঠান শুনতে উসাহিত করবেন এবং চীনা বেতারের প্রসারে সহযোগিতা করবেন গ্রন্থমেলাকে কেন্দ্র করে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের প্রচারনা বাড়াতে এবং বেতারের এফএম তরঙ্গে অনুষ্ঠান শুনতে আগ্রহী করে তুলতে সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব তার নিজস্ব প্রকাশনা 'ডিএক্সীং নিউজ' এর দু'টি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে মেলায় আগত দর্শকদের মাঝে বিনা মূল্যে বিতরণ করবে এছাড়া এফএম তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে তৈরী ষ্টিকারও বিতরণ করবে

গ্রন্থমেলাটি ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত, ছুটির দিন বেলা ১১টা থেকে রাত নয়টা এবং একুশে ফেব্রুয়ারি সকাল আটটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে

উল্লেখ্য ২০১০ সালেও একুশে গ্রন্থমেলায় সাহিত্যবিশারদ সোমেন চন্দ চত্বরে চীন আন্তর্জাতিক বেতার আন্তর্জাতিক মিডিয়া ষ্টল হিসেবে একটি ষ্টল বরাদ্ধ পেয়েছিলো।

Sunday, January 9, 2011

নিহত মনের কাছে প্রেমের গোলাপ চেয়ে কি লাভ বল.............> কথা ও সুর: মহিউদ্দিন তাহের (সাবেক বিদেশী ভাষা বিশেষজ্ঞ- চীন আন্তর্জাতিক বেতার বাংলা বিভাগ)

Friday, January 7, 2011

চল আশার কথা বলি, হতাশারা থাক। ভালবাসার কথা বলি, ঘৃণারা পালাক...> কথা ও সুর: মহিউদ্দিন তাহের, সাবেক বিদেশী ভাষা বিশেষজ্ঞ- চীন আন্তর্জাতিক বেতার (বাংলা)

Saturday, January 1, 2011

Quiz Contest





Up date by,

DIDARUL IQBAL

Bangladesh Monitor

China Radio International (CRI)

Dhaka, Bangladesh.

স্বাগতম ২০১১, বিদায় ২০১০

স্বাগতম ২০১১, বিদায় ২০১০


দেখতে দেখতে শেষ হয়ে গেল ২০১০ সাল এবং এসে গেলো নতুন আরো একটি বছর ২০১১ বছর জুড়ে মানুষের অনেক চাওয়া-পাওয়ার হিসাবের মধ্যে হয়ত কারো আশা পূর্ণ হয়েছে আবার কেউ নিরাশ হয়েছে৷ তবুও মানুষ কিছু পাওয়ার আশায় অপেক্ষায় থাকে আগামীর দিনগুলির জন্য৷ আশা করছি ২০১ সালে পৃথিবীর সকল মানুষের যেন সকল আশা পূর্ণ হয় এবং বিশ্ব যেন স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে থাকে এ প্রত্যাশা করছি৷ চীন আন্তর্জাতিক বেতার বাংলা বিভাগের পরিচালক মাদাম ইউ কোয়াং য়ূএ, উপ-পরিচালক মি.চিয়াং চিং ছেং, বিশেষজ্ঞ ফোং সিউ ছিয়েন, চুং শাওলি, শি চি উ, থান ইয়াও খাং, আবাম ছালাউদ্দিন, ইয়াং ওয়েই মিং, ছাও ইয়ানহুয়া, লিলি, লি লু, ছাই ইউয়ে, ওয়াং হাইমান, শুয়েই ফেই ফেই, শিয়ে নান, খোং চিয়া চিয়া, সাবেক বিদেশী ভাষা বিশেষজ্ঞ মহিউদ্দিন তাহের, রাশিদা বেগম, অমিত হাবিবসহ সিআরআই-এর সকল শ্রোতাবন্ধুদের জানাই ইংরেজী নববর্ষ-২০১ এর শুভেচ্ছা৷ ২০১ সাল সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ শান্তি ও আনন্দ৷ স্বাগতম ২০১১ সাল, শুভ বিদায় ২০১০।

ইংরেজী নববর্ষের শুভেচ্ছাসহ,

দিদারুল ইকবাল,

তাছলিমা আক্তার লিমা,

শহিদুল কায়সার লিমন,

আনোয়ারা বেগম,

তাছলিমা বেগম,

শাহাদাত হোসেন,

মুছলিমা বেগম,

আব্দুর রাজ্জাক,

জোবেদা রিনা,

উম্মে সালমা মাছুমা,

লিয়াকত আলী,

হাজেরা বেগম,

রফিকুল ইসলাম,

আয়েশা বেগম,

শাওন খান,

আসিফুল ইসলাম রাতুল,

সিআরআই- সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সিআরআই-সার্ক),

বাড়ি ৩৩৬, সেকশন-৭, রোড-২, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬, বাংলাদেশ৷

Happy Birthday to CRI Bengali@42 (1969 to 2011)

Monday, November 1, 2010

১ নভেম্বর থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই)-এর এফ.এম তরঙ্গে সম্প্রচার শুরু হচ্ছে

১ নভেম্বর থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে
চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই)-এর
এফ.এম তরঙ্গে সম্প্রচার শুরু হচ্ছে


2010-10-30 21:04:02 cri

১ নভেম্বর থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের এফ এম ব্যান্ডের মাধ্যমে চীন আন্তর্জাতিক বেতার (সিআরআই) তার বাংলা ও ইংরেজী অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার শুরু করতে যাচ্ছে।
ঢাকা থেকে ইংরেজী অনুষ্ঠানমালা শোনা যাবে প্রতিদিন বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এবং বাংলা অনুষ্ঠান শোনা যাবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এফএম ১০৩.২ মেগাহার্জে। একই সাথে প্রতিদিন চট্টগ্রাম থেকে বাংলা আনুষ্ঠান শোনা যাবে প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এফএম ১০৫.৪ মেগাহার্জে।
এফএম তরঙ্গের পাশাপাশি পেইচিং থেকে প্রচারিত চীন আন্তর্জাতিক বেতার বাংলা বিভাগের অনুষ্ঠান শুনা যাবে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত শর্টওয়েভ ৩১.০৭ ও ২৫.৭৭ মিটার ব্যান্ডে; সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শর্টওয়েভ ৩১.৬১, ৩১.২৫ ও ২৫.৮৪ মিটার ব্যান্ডে এবং মিডিয়াম ওয়েভ ২৫২.৫৩ ব্যান্ডে; রাত ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শর্টওয়েভ ৩১.৬১ ও ২৫.৮৪ মিটার ব্যান্ডে এবং মিডিয়াম ওয়েভ ২৩৬.৪১ ব্যান্ডে; এছাড়া রাত ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শর্টওয়েভ ৩০.৯৬ মিটার ব্যান্ডে এবং মিডিয়াম ওয়েভ ৩১.২২ মিটার ব্যান্ডে সর্বমোট ৫বার (প্রতিবার এক ঘন্টা করে) অনুষ্ঠান শুনা যাবে।
উল্লেখ্য এক বছরেরও বেশি সময়ের যোগাযোগ ও প্রস্তুতির পর গত ১৭ মে ঢাকায় চীন আন্তর্জাতিক বেতার ও বাংলাদেশ বেতার আনুষ্ঠানিকভাবে বেতার সেবা সংক্রান্ত চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেছে । এ চক্তি অনুযায়ী চীন আন্তর্জাতিক বেতারের বাংলা ও ইংরেজী ভাষার এফ এম অনুষ্ঠান ঢাকা ও চটগ্রামে প্রচার করবে । বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের রাজনৈতিক কাউসিলার ওয়াং ইয়ু ও বাংলাদেশ জাতীয় বেতারের মহাপরিচালক মাহবুবুল আলম আলাদা আলাদাভাবে চীন ও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন । বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রণালয় ও চীনা দূতাবাসের সাংস্কৃতিক বিভাগের কর্মকর্তারাও তখন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ।
২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের উপমহাপরিচালক ওয়াং ইয়ুন ফোংয়ের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরের সময় বাংলাভাষার এফ এম অনুষ্ঠান সম্পর্কে বাংলাদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী ও বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালকের সংগে সার্বিকভাবে আলোচনা করেন । উভয় পক্ষ বেতার ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা সম্পর্কে আশাবাদী । চুক্তিটির স্বাক্ষর বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিপুল সমর্থন পেয়েছে ।
এ চুক্তির স্বাক্ষর চীন আন্তর্জাতিক বেতারের বাংলা অনুষ্ঠানের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে । এফএম অনুষ্ঠান চালুর মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের শ্রোতারা আরো স্পষ্টভাবে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের নানা অনুষ্ঠান শুনতে পাবেন ।
চীন আন্তর্জাতিক বেতার ১৯৬৯ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে ৪১ বছর ধরে বাংলা অনুষ্ঠান প্রচার করে আসছে।

Monday, September 6, 2010

সকলকে ঈদুল ফিতর এর শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক

সকলকে ঈদুল ফিতর এর শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক


পবিত্র ঈদুল
ফিতর উপলক্ষে চীন আন্তর্জাতিক বেতার বাংলা বিভাগের পরিচালক মাদাম ইউ কোয়াং য়ূএ সহ বাংলা বিভাগের সকল কর্মী এবং চীন আন্তর্জাতিক বেতার বাংলা বিভাগের সকল শ্রোতাবন্ধুদের সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সিআরআই-সার্ক) এর পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। ঈদ আপনাদের সকলের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ। ঈদ মোবারক, ঈদ মোবারক, ঈদ মোবারক........।

***** দিদারুল ইকবাল, তাছলিমা আক্তার লিমা, রফিকুল ইসলাম, শহীদুল কায়সার লিমন, লিয়াকত আলী, হাজেরা বেগম, শাওন খান, সুমী খান, সিআরআই-সাউথ এশিয়া রেডিও ক্লাব (সিআরআই-সার্ক), বাড়ী-৩৩৬, সেকশন-৭, রোড-২, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬, বাংলাদেশ। মোবাইল: ০০৮৮-০১৭১১০৫৪৯৮৫, ০১৮১৪২৭৮৩৪৩, ই-মেইল: cri.southasiaradioclub@gmail.com ওয়েবসাইট: www.cri-sarc.blogspot.com

Thursday, May 20, 2010

চীন আন্তর্জাতিক বেতার- এর বাংলাভাষার এফ এম অনুষ্ঠান সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত: ঢাকায় এফএম ১০৩.২ এবং চট্টগ্রামে ১০৫.৪ মেগাহার্জ

চীন আন্তর্জাতিক বেতার- এর
বাংলাভাষার এফ এম অনুষ্ঠান সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত
ঢাকায় এফএম ১০৩.২ এবং চট্টগ্রামে ১০৫.৪ মেগাহার্জ

এক বছরেরও বেশি সময়ের যোগাযোগ ও প্রস্তুতির পর ১৭ মে ঢাকায় চীন আন্তর্জাতিক বেতার ও বাংলাদেশ বেতার আনুষ্ঠানিকভাবে বেতার সেবা সংক্রান্ত চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেছে । এ চক্তি অনুযায়ী চীন আন্তর্জাতিক বেতারের বাংলা ও ইংরেজী ভাষার এফ এম অনুষ্ঠান ঢাকা ও চটগ্রামে প্রচার করা হবে । বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের রাজনৈতিক কাউসিলার ওয়াং ইয়ু ও বাংলাদেশ জাতীয় বেতারের মহাপরিচালক মাহবুবুল আলম আলাদা আলাদাভাবে চীন ও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেন । বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রণালয় ও চীনা দূতাবাসের সাংস্কৃতিক বিভাগের কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ।

জানা গেছে , ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের উপমহাপরিচালক ওয়াং ইয়ুন ফোংয়ের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরের সময় বাংলাভাষার এফ এম অনুষ্ঠান সম্পর্কে বাংলাদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী ও বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালকের সংগে সার্বিকভাবে আলোচনা করেন । উভয় পক্ষ বেতার ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা সম্পর্কে আশাবাদী । চুক্তিটির স্বাক্ষর বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিপুল সমর্থন পেয়েছে ।

এ চুক্তির স্বাক্ষর চীন আন্তর্জাতিক বেতারের বাংলা অনুষ্ঠানের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে । এম এম অনুষ্ঠান চালু হলে বাংলাদেশের শ্রোতারা আরো স্পষ্টভাবে চীন আন্তর্জাতিক বেতারের নানা অনুষ্ঠান শুনতে পাবেন । ঢাকায় সি আর আইয়ের প্রচার-তরংগ হচ্ছে ১০৩.২মেগাহার্জ । বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ইংরেজী অনুষ্ঠান এবং বিকেল সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত বাংলা অনুষ্ঠান প্রচারিত হবে । চটগ্রামে প্রচার-তরংগ হচ্ছে ১০৫.৪ মেগাহার্জ ।এ প্রবার তরংগে বিকেল সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত বাংলা অনুষ্ঠান প্রচারিত হবে ।

Thursday, March 18, 2010

'সাংহাইয়ে মিলিত হয়ে চমত্কার বিশ্ব মেলা উপভোগ' শীর্ষক জ্ঞান যাচাই প্রতিযোগিতার ঘোষণা


'সাংহাইয়ে মিলিত হয়ে চমত্কার বিশ্ব মেলা উপভোগ'

শীর্ষক জ্ঞান যাচাই প্রতিযোগিতার ঘোষণা


2010-02-17 21:04:41 cri


বন্ধুরা, সাংহাই বিশ্ব মেলা ১ মে থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। বিদেশের ব্যাপক জনগণকে নিজের মাতৃভাষায় বিস্তারিতভাবে সাংহাই বিশ্ব মেলার প্রসঙ্গ, প্যাভিলিয়ন ও কর্মসূচীসহ নানা তথ্য জানানো এবং মানবজাতির জীবনের ওপর শহরের বিশেষ তাত্পর্য বিশ্লেষণ করার জন্য চীন আন্তর্জাতিক বেতার ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত বেতার ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে 'সাংহাইয়ে মিলিত হয়ে চমত্কার বিশ্ব মেলা উপভোগ' শীর্ষক বিশ্বব্যাপী জ্ঞান যাচাই প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রচার করবে এবং এ সম্পর্কিত প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। এতে অংশগ্রহণের জন্য আপনাদের স্বাগত জানাই।
আমাদের বেতারের আয়োজিত অতীতের অন্যান্য প্রতিযোগিতার মতো এবারও আমরা প্রতিটি প্রতিবেদনের শেষে দুটি প্রশ্ন করবো। আমরা শ্রোতাদের উত্তর পত্র থেকে শ্রেষ্ঠ, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ীদের নির্বাচন করবো। তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার বিজয়ী আমাদের আতিথেয়তায় চীন ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।
প্রতিযোগিতায় আপনার ভালো ফলাফল অর্জন কামনা করি।



'হাইবাও' তোমাকে নিয়ে বিশ্ব মেলা উদ্যানের ভ্রমণ


2010-02-18 19:24:38 cri


সাংহাই বিশ্ব মেলার মাস্কটের নাম 'হাইবাও' তা দেখতে পাকা চুলের এবং হাসি মুখের নীল রঙের শিশুর মত। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বিশ হাজারেরও বেশি শিল্পকর্মের মধ্য থেকে তাকে নির্বাচন করা হয়েছে। 'হাইবাও' এর অর্থ হচ্ছে সাগরের মুক্তা। বহু চীনা মানুষ 'বাও' দিয়ে সন্তানের নামকরণ করতে পছন্দ করেন। হাইবাও সমুদ্রে জন্মগ্রহণ করেছে। কারণ সে সারা বিশ্বের অপার স্নেহ ও সমর্থন পেয়েছে, সাংহাই বিশ্ব মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বিশেষ ব্যক্তিবর্গের আদর পেয়েছে। ফলে তাকে 'হাইবাও' বলে ডাকাই উপযুক্ত। আজ আমি আপনাদের নিয়ে সাংহাই বিশ্ব মেলা উদ্যানে গিয়ে ঘুরে বেড়াবো।
প্রথমে আমরা একসাথে সাংহাই বিশ্ব মেলার পাঁচটি প্রধান স্থাপত্য দেখতে যাবো। তা হচ্ছে বিশ্ব মেলা বলয়, চীন ভবন, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, বিশ্ব মেলা কেন্দ্র আর প্রসঙ্গ ভবন। বিশ্ব মেলা বলয় হচ্ছে সাংহাই বিশ্ব মেলার প্রধান প্রবেশ দ্বার। তার ডান ও বাম দিকে সংলগ্ন রয়েছে যথাক্রমে চীন ভবন, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, বিশ্ব মেলা কেন্দ্র আর প্রসঙ্গ ভবন। এ স্থাপত্যগুলো দেখতে একটি পাল তুলে যাওয়া জাহাজের মতো, ঠিক যেন দর্শকদের স্বাগত জানাচ্ছে। চীন ভবনের মূল রং হচ্ছে লাল রং। দর্শকরা এখানে খুব কাছে থেকে চীনের সংস্কৃতি ও রীতিনীতি অনুভব করতে পারবেন। সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হুয়াংফু নদীর পাশে অবস্থিত। রাতে এ ভবন দেখতে একটি আলোকিত শামুকের মতো। বিশ্ব মেলা চলাকালে বিরাটাকারের নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচী এখানেই অনুষ্ঠিত হবে।
সাংহাই বিশ্ব মেলা-২০১০ এর প্রসঙ্গ হচ্ছে 'শহরঃ জীবনকে আরো সুন্দর করে তোলে'। এ প্রসঙ্গকে আরো গভীরভাবে তুলে ধরার জন্য এবারের বিশ্ব মেলায় একটি বিশেষ প্রসঙ্গ ভবন নির্মিত হয়েছে। তাতে শহর, মানুষ ও প্রাণ এবং পৃথিবী ও ভবিষ্যতের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। তা ছাড়া, বিশ্ব মেলা কেন্দ্র হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের অধিবেশন ও প্রেস ব্রিফিং-এর জায়গা এবং ভোজসভা ও মাননীয় অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানোর স্থান।
সাংহাই বিশ্ব মেলায় আরো অনেক চমত্কার বিদেশী ভবন রয়েছে। যেমন বৃটেন ভবনের বাইরে বিপুল পরিমাণে আলোকিত শৃঙ্গ রয়েছে। তা বাতাসের সাথে সাথে দুলবে এবং বিভিন্ন রঙ ও নকশা বদলে যাবে। স্পেন ভবনের বাইরের দেওয়াল বেতের লতা দিয়ে বাঁধানো, দেখতে স্পেনের ফ্ল্যামেনকো নৃত্যের পোশাকের মতো। জাপান ভবন দেখতে একটি বেগুনি আভার রেশমগুটির শুঁটির মতো। সংযুক্ত আরব আমিরাত ভবন যেন এক প্রাকৃতিক রঙিন বালিয়াড়ির মতো। সিঙ্গাপুর ভবন দেখতে একটি সুন্দর সংগীত বাক্সের মতো। বলা যায়, সব দেশের ভবনই নিজ নিজ দেশের বিশিষ্ট্যপূর্ণ সংস্কৃতি এবং ভৌগলিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। প্রদর্শনের বিষয়বস্তু হিসেবে ফ্রান্স ভবনে ভ্যান গগ আর রোডিনসহ বিখ্যাত চিত্রশিল্পীদের মূল্যবান শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হবে। ডেনমার্ক ভবনে প্রথমবারের মতো ডেনমার্কের রাষ্ট্রীয় সম্পদ 'ছোট লেজওয়ালা সুন্দরী'র মূর্তি বিদেশি দর্শকদের আকৃষ্ট করবে। ইতালি ভবনে সুস্বাদু খাবারের বিশিষ্ট্যময় জীবনযাপন প্রদর্শিত হবে। ব্রাজিল ভবনে ফুটবলের আকর্ষণীয় শক্তি আর উষ্ণ সাম্বা নৃত্যের সৌন্দর্য্য প্রদর্শন করা হবে।
সাংহাই বিশ্ব মেলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রের উদ্ভাবন প্রদর্শনীর অন্যতম স্থান। অনেক দেশ নিজের সর্বশেষ প্রযুক্তিগত সাফল্য নিয়ে এসেছে। তা ছাড়া কম কার্বন বিশ্ব মেলা হচ্ছে এবারের বিশ্ব মেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। বিশ্ব মেলা উদ্যানের স্থাপত্যগুলোতে জ্বালানি ও পানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণসহ সৌর শক্তি ও পুনঃব্যবহার্য উপাদান ব্যবহার হয়েছে। বিশ্ব মেলা চলাকালে এক হাজারটিরও বেশি নতুন জ্বালানি চালিত গাড়ি আদর্শ হিসেবে ব্যবহার হবে। উদ্যানে পরিসেবা করা গাড়িগুলো থেকে শূন্য কার্বন নির্গমন হবে।
তা ছাড়া সাংহাই বিশ্ব মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মহাসম্মিলনী হবে। ১৮৪ দিনব্যাপী মেলা চলাকালে ২০ হাজার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে। বৃটেনের জাতীয় ব্যালে নৃত্য দল ও ফিলাডেলফিয়ার সিমফনি অর্কেস্ট্রাসহ বিশ্বের বিখ্যাত শিল্পী দলগুলো এখানে বিশেষ অনুষ্ঠান পরিবেশন করবে। তা ছাড়া ব্রাজিলের সাম্বা নৃত্য, বুরুন্ডির ডঙ্কা ও সলোমন দ্বীপপুঞ্জের বাঁশিসহ বিভিন্ন অঞ্চলের বিশেষ প্রথা অনুসারে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ অনুষ্ঠানও পরিবেশিত হবে।
বন্ধুরা, এ বার আমি আজকের এ প্রতিবেদনের দু'টি প্রশ্ন করছি। প্রশ্ন দুটি খুব কঠিন নয়, আশা করি, আপনারা সঠিক উত্তর দেবেন।
১। সাংহাই বিশ্ব মেলার মাস্কটের নাম কি?
২। আপনি সাংহাই বিশ্ব মেলার পাঁচটি প্রধান স্থাপত্যের মধ্যে যে কোন দু'টির নাম বলুন।


আপনাদের নিয়ে চীন ভবন দেখা


2010-02-22 15:18:28 cri

বন্ধুরা, সাংহাই বিশ্ব মেলা ১ মে উদ্বোধন হবে। ১৮০ দিনেরও বেশি মেলা চলাকালে সাংহাই বিশ্ব মেলা উদ্যান বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বন্ধুদের অর্ভ্যথনা জানাবে। আজকের অনুষ্ঠানে আমি আপনাদের সাংহাই বিশ্ব মেলার স্বাগতিক ভবন – চীন ভবনে নিয়ে যাবো।
চীন ভবন সাংহাই বিশ্ব মেলা উদ্যানের কেন্দ্র স্থল অবস্থিত। এ ভবনে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে চীনের জাতীয় ভবন, চীনের আঞ্চলিক ভবন আর হংকং, ম্যাকাও ও তাইওয়ান ভবন। চীন ভবনকে চীনের রাষ্ট্রীয় নাম কার্ড বলা যায়। এটা হচ্ছে দর্শকদের কাছে থেকে চীনের সংস্কৃতিকে জানা, চীনাদের চিন্তাধারা এবং আধুনিক চীনের মূল্যবোধ অনুভব করার জানালা।
চীনের জাতীয় ভবনের আয়তন সাংহাই বিশ্ব মেলার সব প্রদর্শনী ভবনের মধ্যে সবচেয়ে বড়। এর ছাদ আড়াইটি ফুটবল মাঠের চেয়েও বড়। চীনের জাতীয় ভবনটি গভীর চীনের রীতিনীতি প্রতিফলিত হয়েছে। এর বাইরের দেয়ালের রং হচ্ছে চীনা লাল রং। চীনের জাতীয় ভবনটি দেখতে চীনের প্রাচীন রাজমুকুটের মতো।
চীনের আঞ্চলিক ভবন হচ্ছে বিভিন্ন প্রদেশকে প্রদর্শনের স্থান। এর নকশা চীনের প্রাচীনকালের বহু ঐতিহ্যগত উপাদান ব্যবহার হয়েছে। আঞ্চলিক ভবনের বাইরের বারান্দার দেয়ালে চীনের প্রাচীনকালের রাজবংশের নামের ৩৪টি চীনা শব্দ লেখা রয়েছে। তা দিয়ে চীনের সংস্কৃতির সুদীর্ঘ ইতিহাসকে বুঝা যায়। চীনের সব প্রদেশ সাংহাই বিশ্ব মেলায় নিজেদের প্রদর্শন করবে। তখন আপনারা সাংহাই বিশ্ব মেলার চীনের আঞ্চলিক ভবনে একবার ঘুরে দেখলে চীনের বিভিন্ন অঞ্চলের রীতিনীতির ওপর মোটামুটি একটি ধারণা পাবেন।
এবার আমরা হংকং ভবন, ম্যাকাও ভবন ও তাইওয়ান ভবনে যাব। হংকং ভবনের প্রসঙ্গ হচ্ছে 'সীমাহীন শহর—হংকং'। এ ভবনটি হংকংয়ের ছয়টি বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। যেমন হংকংয়ের বিশেষ ভৌগলিক অবস্থা, সুসম্পন্ন বুনিয়াদী ব্যবস্থা, বিশ্ব ও চীনের মূলভূভাগের শহরগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ, হংকংয়ের সুবিধাজনক পরিবহন ব্যবস্থা, উন্নত মানের তথ্য প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা, চীন ও পশ্চিমা সংস্কৃতির মিলন, সমৃদ্ধ উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের শ্রেষ্ঠ শহর জীবন ইত্যাদি। ম্যাকাও ভবন দেখতে এক লাবন্য খরগোশের মতো। এর বাইরে পাতলা কাচ দিয়ে সাজানো, এর রং বদলে যায় এবং বিভিন্ন ছবি প্রদর্শন করা যায়। 'খরগোশের' মাথা ও লেজে একটা বেলুন আছে। বেলুনটি ইচ্ছা মতো ওঠা-নামা করতে পারে। বিশ্ব মেলা চলাকালে ম্যাকাও ভবনে আসা দর্শকরা একটি খরগোশ আকারের ফানুস উপহার পাবেন।
ভবনের স্থপতি জানিয়েছেন, তাইওয়ান ভবনের আকার চীনের প্রাচীনকালের খুংমিং লন্ঠন থেকে অনুপ্র্রেরণা পেয়েছে। এ ভবনটি পাহাড়ী আকারের স্থাপত্য, বিরাটাকারের কাচ দিয়ে তৈরি স্বর্গীয় লণ্ঠন আর গোলাকার পর্দা নিয়ে গঠিত। স্বর্গীয় লন্ঠনকে জ্বালিয়ে শুভ জীবন কামনা করা এবং 'প্রাকৃতিক শহর', 'আত্মাযুক্ত শহর' প্রসঙ্গের গোলাকার চলচ্চিত্র দেখা হচ্ছে তাইওয়ান ভবনের প্রধান প্রদর্শনির বিষয়।
বন্ধুরা, এবার আমি এ প্রতিবেদন থেকে দুটি প্রশ্ন করবো। প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে, সাংহাই বিশ্ব মেলা কোন তারিখ উদ্বোধন হবে? দ্বিতীয় প্রশ্ন হচ্ছে, সাংহাই বিশ্ব মেলার চীনের জাতীয় ভবনের রং কী রকম?

আপনাদের নিয়ে সাংহাই ভ্রমণ করি


2010-02-22 15:20:37 cri


বন্ধুরা, সাংহাই বিশ্ব মেলা পরিদর্শনের সময় চীনের মহানগর সাংহাই ভ্রমণ করতে ভুলবে না কিন্তু। আজকের অনুষ্ঠানে আমি আপনাদের নিয়ে সুন্দর সাংহাই শহর ঘুরে বেড়াবো।
প্রথম ধাপ হিসেবে আমরা সুবিখ্যাত ওয়াইথানে যাবো। সাংহাই শহরের মাতৃ নদী হুয়াংফু নদীর পশ্চিম তীরে দেড় বর্গমিটার এক সংকীর্ণ অঞ্চলে চীন ও পশ্চিমা স্টাইলের প্রায় পঞ্চাশটিরও বেশি বিভিন্ন ধরনের স্থাপত্য রয়েছে। 'ওয়াইথান' নামক এ অঞ্চলকে সাংহাই শহরের দেহরেখা বলা হয়
সন্ধ্যা বেলা হুয়াংফু নদীর পানি সূর্যাস্ত'র আলোতে কমলা রং হয়ে যায়। সে সময় সেখানকার পরিবেশ মনে হবে খুব রোমান্টিক। রাতে দর্শনীয় স্থানের প্রদীপ জ্বালিয়ে সাংহাইয়ের প্রতীকী স্থাপত্য – প্রাচ্য মুক্তা টেলিভিশন টাওয়ার, সাংহাইয়ের সর্বোচ্চ স্থাপত্য – চিনমাও ভবন দেখা যায়। এ স্থাপত্যগুলোর উজ্জ্বলতর আলোতে গোটা ওয়াইথান দেখতে খুবই সুন্দর।
সবাই বলে, সাংহাই হচ্ছে কেনাকাটার স্বর্গ। তাই সাংহাইয়ে আসলে কোথাও কেনাকাটা না করলে আপনি নিঃসন্দেহে অনুতাপ করবেন। সে জন্য আমাদের দ্বিতীয় ধাপে আপনাদের সাংহাইয়ের কেনাকাটার ভালো জায়গায় নিয়ে যাবো। চীনের প্রথম বাণিজ্য সড়ক ---সাংহাইয়ের নানচিং সড়কে বিরাট মার্কেট, এক'শ বছরের ইতিহাস সম্পন্ন পুরনো দোকান, নামকরা ট্রেডমার্ক দোকান আর বৈশিষ্ট্যময় দোকান রয়েছে। তা ছাড়া হুয়াইহাই সড়কও যাওয়ার ভালো জায়গা। সেখানে তরুণতরুণীদের পছন্দ মতো বিভিন্ন ট্রেডমার্কের পণ্য পাওয়া যায়। রাস্তার দু'পাশে বিভিন্ন নকশার দোকানপাট আর ক্ষুদ্র দর্শনীয় স্থান ও পার্কগুলোর সঙ্গে সুমিশ্রনে এক বিশেষ দৃশ্য সৃষ্টি হয়েছে। আপনি সেখানকার রাস্তায় অনেক মজার মজার ভাস্কর্য দেখতে পাবেন।
ঘুরে বেড়ানোর পর আমরা একটু বসে কফি খেয়ে বিশ্রাম নিলে ভালো। হুয়াংহাই রাস্তার নিকটে 'নতুন বিশ্ব মহাচত্বর' হচ্ছে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নবোদিত এক পর্যটন ও বিনোদন স্থান। এখানকার স্থাপত্যগুলো বাইরে থেকে দেখতে পুরনো সাংহাইয়ের অধিবাসীদের বসতবাড়ির মতো, কিন্তু ভেতরে গেলে দেখা যাবে এক একটি বার, পশ্চিমা রেঁস্তোরা ও গল্ফ ক্লাব লুগিয়ে আছে। চীন ও পশ্চিমা সংস্কৃতি এখানে নিখুঁতভাবে মিলিত হয়েছে।
সাংহাই একটি আধুনিক মহানগর বটে, তবে এখানে অনেক ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক দর্শনীয় স্থানও রয়েছে। আমাদের তৃতীয় ধাপ হচ্ছে দক্ষিণ চীনের প্রাচীনকালের বিখ্যাত উদ্যান –ইয়ু ইউয়ান। ইয়ু ইউয়ানের ইতিহাস ৪৫০ বছরের। এখানে আগে এক ব্যক্তিগত বাড়ি ছিল। এখন এখানে চীনামাটি, আসবাবপত্র ও ছবিসহ বহু মূল্যবান পুরাকীর্তি সংরক্ষিত আছে। ইয়ু ইউয়ানের পাশে পুরনো চেংহুয়াং মন্দির আছে। কেউ কেউ বলেন, সাংহাই আসলে চেংহুয়াং মন্দির না গেলে সাংহাই না আসার মতো। তাহলে বুঝা যায়, চেংহুয়াং মন্দিরের সাংহাইয়ে শহরে কী বিশেষ মর্যাদা ও প্রভাব আছে। যারা সেখানে গিয়েছিলেন, তারা অবশ্যই সেখানের প্রাচীনকালের বিশিষ্ট্যপূর্ণ স্থাপত্য আর নানা বিশেষ সুস্বাদু খাবার মনে রাখবেন।
অবশেষে আমি আপনাদের সাংহাইয়ের গলিতে নিয়ে যাবো। যদি বলা যায়, গলি হচ্ছে পুরনো পেইচিংয়ের প্রতীক, তাহলে পুরনো সাংহাইয়ের কাছে গলি এক বিশেষ চিহ্নের মতো। সাংহাইয়ের পুরনো শহরাঞ্চলে অনেক সংকীর্ণ বা চওড়া গলি আছে। এ সুযোগে আমি বিশেষ করে চিংআন মন্দির কমিউনিটিতে থাকা ৭০টি 'বিশ্ব মেলা পরিবারের' কথা বলবো। আপনি এখানে সাংহাইয়ের গলি দেখার পাশাপাশি, সাংহাইবাসীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ করতে পারবেন।
বন্ধুরা, এবার আমি এ প্রতিবেদন থেকে দুটি প্রশ্ন করবো। প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে, সাধারণতঃ সাংহাইয়ের কোন অঞ্চলকে এ শহরের দেহরেখা বলা হয়? দ্বিতীয় প্রশ্ন হচ্ছে, 'চীনের প্রথম বাণিজ্য সড়ক' সাংহাইয়ের কোন সড়ককে বলা হয়?
'সাংহাইয়ে মিলিত হয়ে চমত্কার বিশ্ব মেলা উপভোগ'
শীর্ষক জ্ঞান যাচাই প্রতিযোগিতার প্রশ্নমালা

2010-02-22 15:30:51 cri

১। সাংহাই বিশ্ব মেলার মাস্কটের নাম কি?
'হাইবাও'
২। আপনি সাংহাই বিশ্ব মেলার পাঁচটি প্রধান স্থাপত্যের মধ্যে যে কোন দু'টি নাম বলুন।
বিশ্ব মেলা বলয়, চীন ভবন, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, বিশ্ব মেলা কেন্দ্র আর প্রসঙ্গ ভবন
৩। সাংহাই বিশ্ব মেলা কোন তারিখ উদ্বোধন হবে?
সাংহাই বিশ্ব মেলা ১ মে উদ্বোধন হবে
৪। সাংহাই বিশ্ব মেলার চীনের জাতীয় ভবনের রং কী রকম?
চীনা লাল রং
৫। সাধারণতঃ সাংহাইয়ের কোন অঞ্চলকে এ শহরের দেহরেখা বলা হয়?
'ওয়াইথান' নামক এ অঞ্চলকে সাংহাই শহরের দেহরেখা বলা হয়
৬।'চীনের প্রথম বাণিজ্য সড়ক' সাংহাইয়ের কোন সড়ককে বলা হয়?
চীনের প্রথম বাণিজ্য সড়ক ---সাংহাইয়ের নানচিং সড়ক
৭। সাংহাই বিশ্ব মেলা হচ্ছে কততম বিশ্ব মেলা?
৮। সাংহাই বিশ্ব মেলার প্রসঙ্গ কী?

CRI's Excellent Audiences' Club Award 2013

CRI's Excellent Audiences' Club Award 2013

China's Travel Island Hainan Contest Award